Polytechnic Study Zone
MD.Masud Rana
Mob:01791825556
বিষয়:কেমিস্ট্রি
★অধ্যায়-১(পারমাণবিক গঠণ)
১।পরমাণুর মূল কণিকা কাকে বলে? পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকাগুলোর বর্ণনা দাও।
উত্তর:পরমাণুর মূল কণিকা:যেসব মৌলিক কণিকা মিলে একটি পরমাণু গঠিত হয়, তাদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলে।
পরমাণুর তিনটি স্থায়ী মূল কণিকা রয়েছে। এগুলো হলো:
১. ইলেকট্রন
২. প্রোটন
৩. নিউট্রন
★ ইলেকট্রন:
১.পরমাণুর তথা পদার্থের সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্রতম কণিকা হল ইলেকট্রন।
২.আবিষ্কারক: জে. জে. থমসন
৩.আধান: ঋণাত্মক এবং এর পরিমাণ −1.6×10−19C
৪.ভর: 9.109 × 10⁻³¹ কেজি (প্রায় শূন্য)
৫.অবস্থান: পরমাণুর বাইরের কক্ষপথে বা শেলে।
৬. ইলেকট্রন কে e দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৬.গুরুত্ব: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং পরমাণুর বৈদ্যুতিক ধর্ম নির্ধারণ করে।
★ প্রোটন
১.ইলেকট্রনের মত প্রোটন ও সকল পদার্থের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান।
২.আবিষ্কারক: আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
৩.আধান: ধনাত্মক এবং এর পরিমাণ 1.6022×10−19C
৪.ভর: 1.672 × 10⁻²⁷ কেজি।
৫.অবস্থান: পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে।
৬.প্রোটন কে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৭.গুরুত্ব: পরমাণুর মৌলিক পরিচয় নির্ধারণ করে। যেমন, হাইড্রোজেনের ১টি প্রোটন থাকে।
★নিউট্রন
১.ইলেকট্রন ও প্রোটনের ন্যায় পরমাণুর অপর একটি মূল কণিকা হল নিউট্রন।
২.আবিষ্কারক: জেমস চ্যাডউইক
৩.আধান: কোনো আধান নেই বা চার্জ নিরপেক্ষ।
৪.ভর: 1.675 × 10⁻²⁷ কেজি।
৫.অবস্থান: পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বা প্রোটনের সাথে।
৬.নিউট্রন কে n দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
৭.গুরুত্ব: নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে এবং পরমাণুর ভর বৃদ্ধি করে।১।
২।কোয়ান্টাম সংখ্যা কী?বিভিন্ন প্রকার কোয়ান্টাম সংখ্যার বর্ণনা দাও?
কোনো পরমাণুতে প্রতিটি ইলেকট্রন কক্ষপথ বা শক্তিস্তরের আকার আকৃতি ত্রিমাত্রিক দিক বিন্যাস ও নিজ অক্ষ বরাবর ইলেকট্রন গুলোর ঘূর্ণন সঠিকভাবে বর্ণনা করার জন্য যে সংখ্যা ব্যবহার করা হয় তাকে কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
কোয়ান্টাম সংখ্যা ৪ প্রকার।
১।প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা
২।অ্যাজিমুথাল বা সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা
৩।ম্যাগনেটিক বা চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা
৪।স্পিন বা ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা
★প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ বোর পরমাণু মডেল অনুসারে পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহ নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে কতকগুলো নির্দিষ্ট বৃত্তাকার কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে আবর্তন করে। ইলেকট্রনের এই কক্ষপথ (Orbit) বা শক্তিস্তরগুলোর ক্রমিক সংখ্যাকে প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা বলা হয়। এই কোয়ান্টাম সংখ্যাকে n দ্বারা প্রকাশ করা হয়। n-এর মান 1, 2, 3,4,5.... ইত্যাদি পূর্ণসংখ্যা হতে পারে। কোয়ান্টাম বলবিদ্যা অনুসারে । এর মান অরবিট বা শক্তিস্তরের আকার (Size) (বা আয়তন) প্রকাশ করে এবং ইলেকট্রন কোন শক্তিস্তরে অবস্থিত তা নির্দেশ করে। কাজেই -এর মান বৃদ্ধির সাথে নিউক্লিয়াস হতে কক্ষপথ বা শক্তিস্তরের দূরত্ব, আকার বা আয়তন এবং ঐ শক্তিস্তরে আবর্তনশীল ইলেকট্রনের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। যে-কোনো কক্ষপথ বা প্রধান শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2
n=1 হলে, ১ম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারন ক্ষমতা=2n2=2×12=2টি
n=2 হলে, ২য় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারন ক্ষমতা=2n2=2×22=8টি
n=3 হলে, ৩য় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারন ক্ষমতা=2n2=2×32=18টি......ইত্যাদি।
★অ্যাজিমুথাল বা সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যাঃ পরমাণুতে ইলেকট্রন আবর্তনের জন্য প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তর বা কক্ষপথ নির্দিষ্ট সংখ্যক উপশক্তিস্তরে বিভক্ত থাকে। একটি ইলেকট্রন প্রধান শক্তিস্তরের যে উপশক্তিস্তরে উপস্থিত থাকে তা প্রকাশ করার জন্য যে কোয়ান্টাম সংখ্যা ব্যবহার করা হয়, তাকে অ্যাজিমুখাল বা সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। এই কোয়ান্টাম l সংখ্যাকে lদ্বারা প্রকাশ করা হয়। lএর মান 0 থেকে (n - 1) পর্যন্ত যে-কোনো পূর্ণসংখ্যা হতে পারে। অর্থাৎ l= 0,1,2..... (n-1)।
lএর মান 0,1,2,3....হলে উপশক্তিস্তর কে যথাক্রমে s,p,d,f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।যেকোন উপশক্তিস্তরে ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা=2(2l+1)সংখ্যক।
l=0হলে উপশক্তিস্তর এ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা=2(2×0+1)=2
l=1হলে উপশক্তিস্তর এ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা=2(2×1+1)=6
l=2হলে উপশক্তিস্তর এ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা=2(2×2+1)=10
.....ইত্যাদি
★ ম্যাগনেটিক বা চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যাঃচৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে ইলেকট্রনের বিভিন্ন অরবিটালের ত্রিমাত্রিক দিক বিন্যাস বা ওরিয়েন্টেশন প্রকাশ করার জন্য যে কোয়ান্টাম সংখ্যা ব্যবহার করা হয় তাকে চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।একে m দ্বারা প্রকাশ করা হয়।। m-এর মান lএর উপর নির্ভরশীল এবং প্রতিটি lএর যে-কোনো মানের জন্য m-এং (2l+1) সংখ্যক মান পাওয়া যায়। m-এর মান +l হতে শূন্য (০) সহ −lপর্যন্ত যে-কোনো পূর্ণসংখ্যা হতে পারে। m-এর মানগুলো উপশক্তিস্তরে উপস্থিত অরবিটালের সংখ্যা প্রকাশ করে এবং উপশক্তিস্তরের নাম অনুসারে ঐ উপশক্তিস্তরে উপস্থিত অরবিটালগুলোকেও s, p,d,f নামে অভিহিত করা হয়।
lএর মান | m এর মান | m এর মানের সংখ্যা |
|---|---|---|
0 | 0 | 1 |
1 | -1,0,+1 | 3 |
2 | -2,-1,0,+1,+2 | 5 |
★স্পিন বা ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা:ইলেকট্রনের স্পিন গতি অর্থাৎ নিজ অক্ষের উপর ঘূর্ণনের দিক প্রকাশ করার জন্য যে কোয়ান্টাম সংখ্যা ব্যবহার করা হয় তাকে স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে। একে s দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
ইলেকট্রন নিজ অক্ষের চারদিকে ঘড়ির কাঁটার দিকে অথবা ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরতে পারে সেজন্য স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যার মান দুটি। m এর প্রতিটি মানের জন্য s এর দুটি মান(S=+21,−21)।
★অধ্যায়-৩(গ্যাস)
৩।প্রমাণ কর যে PV=nRT
ধরি,m ভরের কোন গ্যাসের আয়তন, চাপ, তাপমাত্রা যথাক্রমে V,P,T এবং মোল সংখ্যা n হলে,
বয়লের সূত্রানুসারে স্থির তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক অর্থাৎ
V∝P1.......(1) [T,n স্থির]
চার্লসের সূত্রানুসারে স্থির চাপে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক অর্থাৎ
V∝T....... (2) [P,n স্থির]
অ্যাভোগাড্রোর সূত্রানুসারে যখন চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকে তখন গ্যাসের আয়তন মোল সংখ্যার সমানুপাতিক অর্থাৎ
V∝n........ (3) [P.T স্থির]
সমীকরণ: (1), (2), (3) হতে পাই,
V∝P1×T×n
⇒V=KPTn[K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক]
PV,n,T এর ভিন্ন মান নিয়ে K এর একটি নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায়। একে সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক R বলে। PV=nRT (প্রমাণিত)
সূত্রDTngPVM P=চাপ V=আয়তন T=তাপমাত্রা n=মোল সংখ্যা g=গ্রামে প্রকাশিত ভর M=আনবিক ভর D=ঘনত্ব | ★PV=nRT n=Mg=NAN=RTPV |
|---|
★গাণিতিক সমস্যা:
১।125°C তাপমাত্রায় ও 770 মিমি (Hg) চাপে 500 সিসি ক্লোরিন গ্যাসে কয়টি অণু থাকে?
আমরা জানি, PV=nRT ⇒n=RTPV ⇒NAN=RTPV ⇒N=RTPVNA ⇒N=0.0821×2981.013×0.5×6.02×1023 =1.247×1022টি | এখানে, P=770mm(Hg) =760770atm =1.013atm T=125°C =(25+273)K =298K V=500CC =1000500L =0.5L R=0.0821L.atm.k−1.mol−1 N=? |
|---|
২।27°C তাপমাত্রায় 780 মিমি (পারদ) চাপে 1 লিটার গ্যাসের ভর 0.034 গ্রাম। গ্যাসটির আণবিক ভর নির্ণয় কর।
আমরা জানি, PV=nRT ⇒PV=MgRT ⇒M=PVgRT ⇒M=1.026×10.034×0.0821×300 M=0.82gm | P=780mm(Hg) =760780atm =1.026atm T=27°C =(27+273)k =300k V=1L g=0.034gm R=0.0821 L.atm.mol−1.k−1 M=? |
|---|
৩।একটি গ্যাসের তাপমাত্রা 17° C হতে বাড়ানো হলো ফলে গ্যাসের চাপ অপরিবর্তিত রইল; কিন্তু আয়তন দ্বিগুণ হয়ে গেল। তাপমাত্রা কত বৃদ্ধি পেল?
আমরা জানি, T1V1=T2V2 ⇒T2=V1T1V2 ⇒T2=V1290×2V1 T2=580K তাপমাত্রা বৃদ্ধিΔT=(580-290)k =290k | এইখানে, T1=17oC=(17+273)k=290KV2=2V1ΔT=? |
|---|
৪।27°সে. তাপমাত্রায় ও 750 মিমি চাপে একটি গ্যাসের আয়তন 500 মিলি হলে 77°সে. তাপমাত্রা ও 700 মিমি চাপে এর আয়তন কত হবে?
আমরা জানি, T1P1V1=T2P2V2 ⇒V2=T1P2P1V1T2 ⇒V2=300×700750×500×350 V2=625mL | এখানে, T1=27oC=(27+273)k=300kP1=750mm(Hg)V1=500mLT2=77oC=(77+273)K=350KP2=700mLV2=? |
|---|
★অধ্যায়-৪(রাসায়নিক বন্ধন)
১।NaCl আয়নিক বন্ধন গঠন করে ব্যাখ্যা কর?
আয়নিক বন্ধনের সংজ্ঞা:
যখন কোনো পরমাণু ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে এবং অপর পরমাণু সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে রূপান্তরিত হয় এবং এদের মধ্যে তড়িৎ-আকর্ষণ বল দ্বারা যে বন্ধন গঠিত হয় তাকে আয়নিক বন্ধন বলে।
NaCl-এ আয়নিক বন্ধন গঠন:
সোডিয়াম (Na)-এর পারমাণবিক সংখ্যা 11 এবং ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,1। সোডিয়াম স্থিতিশীল হতে শেষ কক্ষপথের একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে। ফলে এটি নিয়ন (2,8)-এর মত স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে এবং Na⁺ আয়নে রূপান্তরিত হয়।
অপরদিকে, ক্লোরিন (Cl)-এর পারমাণবিক সংখ্যা 17 এবং ইলেকট্রন বিন্যাস 2,8,7। এটি অক্টেট পূর্ণ করতে একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে। ফলে এটি (2,8,8)-এর মত স্থিতিশীল ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে এবং Cl⁻ আয়নে রূপান্তরিত হয়।
Na⁺ এবং Cl⁻ এর মধ্যে শক্তিশালী তড়িৎ-আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে এবং একটি আয়নিক বন্ধন গঠিত হয়।
সমীকরণ:
Na→Na⁺+ e⁻
Cl + e⁻→Cl⁻
Na⁺ + Cl⁻→NaCl
২।সমযোজী বন্ধন কাকে বলে?উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা দাও?
সংজ্ঞা: পরমাণুর সর্বশেষ শক্তিস্তরে স্থায়ী ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের জন্য ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠিত হয়, একে সমযোজী বন্ধন বলে।
ব্যাখ্যা: সমযোজী বন্ধনে পরমাণুসমূহ ইলেকট্রন শেয়ার করে, তাদের এ শেয়ারকৃত ইলেকট্রন উভয় নিউক্লিয়াসের মধ্যবর্তী স্থানে পরিভ্রমন করে এবং উভয় পরমাণু কার্যকর ভাবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে শেয়ার করা ইলেকট্রন উভয় নিউক্লিয়াসের মধ্যবর্তী স্থানে পরিভ্রমন করার ফলে পরমাণু দুইটি পরস্পরে সাথে সমযোজী বন্ধন সৃষ্টি করে।
I
H পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস হলো, H(1) 1s¹ দুটি H পরমাণু যখন কাছাকাছি আসে উভয় পরমাণুর একটি করে ইলেকট্রন শেয়ার করে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মতো ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে। অর্থাৎ সর্বশেষ শক্তিস্তরে 2 টি ইলেকট্রন গঠন করে সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
★অধ্যায়-৬(আয়নিক ভারসাম্য)
১।বাফার দ্রবণ কি?বাফার দ্রবনের ক্রিয়াকৌশল ব্যাখ্যা কর?
যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করার পরেও pH এর মান অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
অম্লীয় বাফার দ্রবণের ক্রিয়াকৌশল:
অম্লীয় বাকার দ্রবণের ক্রিয়াকৌশল আলোচনার জন্য
CH3COOH ও CH3COONa দ্বারা প্রস্তুত বাফার দ্রবণটি গ্রহণ করা যাক।এ দ্রবণে নিম্ন বিয়োজন বিদ্যমান থাকে
CH3COOH⇌CH3COO−+H+
CH3COONa⇌CH3COO−+Na+
এখন, এক্ষেত্রে বাফার দ্রবণে H+ বা অ্যাসিড যোগ করা হলে CH3COOH উৎপন্ন হয়। এটি একটি মৃদু অ্যাসিড হওয়ায় বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অ্যাসিড আয়নিত হয় না ও pH মানের কোনো পরিবর্তন হয় না।
H +CH3COO−→CH3COOH (সামান্য পরিমাণ অ্যাসিড যোগ করার পর)
আবার বাফার দ্রবণটিতে ক্ষারক বা OH−যোগ করা হলে তা H+এর সাথে বিক্রিয়া করে H2Oউৎপন্ন করে।ফলে দ্রবনে pH পরিবর্তন হয় না।।
OH−+H+→H2O (সামান্য পরিমাণ ক্ষারক যোগ করার পর।)
ক্ষারীয় বাফার দ্রবণের ক্রিয়াকৌশল:
ক্ষারীয় বাফার দ্রবণের ক্রিয়াকৌশল আলোচনার জন্য
NH4OH ও NH4Clদ্বারা প্রস্তুত বাফার দ্রবণটি গ্রহণ করা যাক। এ দ্রবণেনিম্ন বিয়োজন বিদ্যমান থাকে-
NH4OH⇌NH4++OH−
NH4Cl⇌NH4++Cl−
এখন এই দ্রবণে H+যোগ করলে তা OH− এর সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত হয়ে যায়। অর্থাৎ,
OH−+H+→H2O[সামান্য এসিড যোগ করার পর]
আবার, ক্ষারক বা OH−দ্রবণের যোগ করলে তাNH4+এর সাথে যুক্ত হয়ে NH4OH উৎপন্ন করে। উৎপন্ন NH4OHমৃদু ক্ষার হওয়ায় আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং দ্রবণের pH এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
OH−+NH4+→NH4OH [সামান্য পরিমাণ ক্ষারক যোগ করার]
★অধ্যায়-৭(রাসায়নিক বিক্রিয়া)
১।H2(g)+Cl2(g)→2HCl(g) সমীকরণ এর তাৎপর্য লিখ?
গুনগত তাৎপর্য
১।হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
২।এটি একটি গ্যাসীয় বিক্রিয়া।
পরিমাণ গত তাৎপর্য
১।এক অনু হাইড্রোজেন এক অনু ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে দুই অনু হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
২।বিক্রিয়ক এ পরমাণু মোট সংখ্যা(2+2=4) এবং উৎপাদ এ পরমাণু সংখ্যা(2×(1+1)=4)
৩।বিক্রিয়কে হাইড্রোজেন ও ক্লোরিনের মোট আনবিক ভর(1×2+35.5×2=72)ও উৎপাদ এ মোট আণবিক ভর(2×(1+35.5)=72)
৪। 2 ভাগ ভরের হাইড্রোজেন 70 ভাগ ভরের ক্লোরিনের সঙ্গে বিক্রিয়া কিরে ৭২ ভাগ ভরের হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
৫। 1 ভাগ আয়তনের হাইড্রোজেন 1 ভাগ আয়তনের ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে 2 ভাগ আয়তনের হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে।
★প্রাক্টিস করবেন এই টাইপের কিছু বিক্রিয়া এই ভাবে
১।2H2+O2=2H2O
২।NaOH+HCl=NaCl+H2O
২।উদাহরণ সহ বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সঙ্গা দাও?
১।সংশ্লেষণ বা সংযোজন বিক্রিয়াঃযে রাসায়নিক বিক্রিয়া দুই বা ততোধিক যৌগ মিলে একটি নতুন যৌগ তৈরি করে তাকে সংশ্লেষণ বা বিয়োজন বিক্রিয়া বলে।
উদা:C+O2=CO2
২।বিশ্লেষণ বা বিয়োজন বিক্রিয়াঃযে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি যৌগ ভেঙ্গে দুই বা ততোধিক যৌগের পরিণত হয় তাকে বিশ্লেষণ বা বিয়োজন বিক্রিয়া বলে।
উদা: CO2=C+O2
৩।বিয়োজন বিক্রিয়াঃযে রাসায়নিক বিক্রিয়া তাপ বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে একটি যৌগ ভেঙে দুই বা ততোধিক নতুন যৌগে পরিনত হয় তাকে বিয়োজন বিক্রিয়া বলে।
উদা: CaCO3ΔCaO+CO2
৪।প্রতিস্থাপন বিক্রিয়াঃযখন একটি কম সক্রিয় পরমাণু বা গ্রুপ একটি যৌগ থেকে একটি বেশি সক্রিয় পরমাণু বা গ্রুপকে সরিয়ে দিয়ে তার স্থান দখল করে নেয়, তখন তাকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে।
উদা:Zn+CuSO4→Cu+ZnSO4
৫।আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানিযোজন বিক্রিয়াঃপানির সঙ্গে কোন যৌগের বিক্রিয়া ঘটে দ্বি-বিয়োজন বিক্রিয়ার মত দুই বা ততোধিক নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় তাকে আদ্র বিশ্লেষণ বা পানি যোজন বিক্রিয়া বলে।
উদা: FeCl3+3H2O=Fe(OH)3+3HCl
৬।পারমাণবিক পূর্ণবিন্যাস বা সমানুক বা আইসোমারিক বিক্রিয়া:এটি এমন এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া যেখানে একটি যৌগের অণুর পরমাণুগুলো পুনর্বিন্যস্ত হয়ে একই আণবিক সংকেত বিশিষ্ট কিন্তু ভিন্ন গঠন বা বিন্যাসের একটি নতুন সমাণু (আইসোমার) উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়াকে সমাণুকরণ বিক্রিয়া বলে।
উদা:NH4CNSΔCS(NH2)2
৭।অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়াঃযে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যখন দুটি ভিন্ন দ্রবণ মেশানো হয় এবং তার ফলে একটি কঠিন ও অদ্রবণীয় যৌগ তৈরি হয়ে পাত্রের তলায় থিতিয়ে পড়ে, তখন সেই বিক্রিয়াকে অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলে।
উদা: NaCl+AgNO3=AgCl ↓+NaNO3
৮।পলিমারকরণ বিক্রিয়া বা বহুযোজন বিক্রিয়া:পলিমার কারণ বিক্রিয়া বলতে বোঝায়, যেখানে ছোট ছোট অণু বা মনোমার নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একত্রিত হয়ে একটি দীর্ঘ, বৃহৎ শৃঙ্খলযুক্ত অণু, গঠন করে তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে।
উদা:n(CH2=CH2)(2000C)(−CH−CH2)n
৮।প্রশমন বা নিরপেক্ষন বিক্রিয়া:যে রাসায়নিক বিক্রিয়া এসিড, ক্ষার বিক্রিয়া করে লবন পানি উৎপন্ন করে তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
উদা:2NaOH+H2SO4=Na2SO4+2H2O
৩।প্রভাবক বলতে কি বুঝ?উদাহরণ সহ বিভিন্ন প্রকার প্রভাবকের বর্ণনা দাও?
প্রভাবক হলো এমন একটি পদার্থ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিজে অংশগ্রহণ না করে বা বিক্রিয়ার শেষে অপরিবর্তিত থাকে, কিন্তু বিক্রিয়ার গতিকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেয়। প্রভাবকের উপস্থিতিতে বিক্রিয়ার এই ঘটনাকে প্রভাবন বলে। প্রভাবক সাধারণত বিক্রিয়ার সক্রিয়ণ শক্তি কমিয়ে দিয়ে বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে।
প্রভাবকের প্রকারভেদ:
প্রভাবক প্রধানত চার প্রকার:
→ [CH₃COOH] → CH₃COOH + CH₃CH₂OH এখানে উৎপন্ন এসিটিক অ্যাসিড (CH₃COOH) নিজেই বিক্রিয়ার গতি বাড়িয়ে দেয়। Na₃AsO₃ → Na₃AsO₄ (ধীর)
এই ধীর বিক্রিয়ার প্রভাবে NaNO₂ এর জারণ দ্রুত হয়
৪।রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটনের উপায় সমূহ বর্ণনা কর?
রাসায়নিক বিক্রিয়া সংগঠনের উপায় সমূহ হলো
১।সংস্পর্শ ২।দ্রবণ ৩।তাপমাত্রা ৪।আলোক বিদ্যুৎ ৫।প্রবাহ ৬।চাপ ও আঘাত ৭।শব্দ কম্পন ৮।প্রভাবক
১।সংস্পর্শ:রাসায়নিক বিক্রিয়া সংগঠিত করার ক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হচ্ছে যে বিক্রিয়কসমূহ পরস্পরের সংস্পর্শে আসতে হবে অন্যথায় বিক্রিয়া ঘটবে না।
উদা:সোডিয়াম এর টুকরা পানির সাথে সংস্পর্শ আসা মাত্র বিক্রিয়া করে, অন্যথায় করে না।
2Na+2H2O=2NaOH+H2
২।দ্রবণ:রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পাদনের জন্য বিক্রয়কসমূহের পরস্পরের সংস্পর্শে আসার উৎকৃষ্ট উপায় হচ্ছে অন্তত একটি বিক্রয়ককে দ্রবীভূত করে মিশ্রিত করা।
উদা:সোডিয়াম ক্লোরাইড ও সিলভার নাইট্রেট দ্রবন এক সঙ্গে মেশানোর ফলে বিক্রিয়া করে,অন্যথায় বিক্রিয়া করে না।
NaCl+AgNO3=AgCl+NaNO3
৩।তাপমাত্রা:সাধারণত তাপ প্রয়োগে রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। তবে অনেক রাসায়নিক বিক্রিয়া তাপ প্রয়োগ ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না এবং কিছু কিছু বিক্রিয়ার জন্য উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
ক্যালসিয়াম কার্বনেট কে তাপ প্রয়োগের ফলে ক্যালসিয়াম অক্সাইড ও কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।
CaCO3ΔCaO+CO2
৪।আলোক:সব ধরনের বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে আলকের উপস্থিতি অত্যাবশ্যকীয় না হলেও কিছু কিছু বিক্রিয়া আলো ছাড়া সম্পন্ন হয় না।আলোর উপস্থিতি উপর ভিত্তি করে কিছু বিক্রিয়া ভিন্ন ভাবে সম্পন্ন হয়।
উদা:হাইড্রোজেন এবং ক্লোরিনের মিশ্রন অন্ধকারে কোন বিক্রিয়া করে না কিন্তু তাদেরকে আলোতে আনলে বিক্রিয়া করে।
H2+Cl2আলো2HCl
৫।বিদুৎ প্রবাহ:বিদ্যুৎ প্রবাহ দ্বারা কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
উদা:পানির মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে পানি বিশিষ্ট হয়ে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন তৈরি করে।
2H2Oবিদ্যুৎপ্রবাহ2H2+O2
৬।চাপ ও আঘাত:কোন কোন ক্ষেত্রে চাপ বা আঘাতের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
উদা:লেড ও সালফারের গুরাকে প্রবল চাপ দিলে তারা পরস্পরের সাথে মিলিত হয়ে লেডসালফাইড উৎপন্ন করে।
Pb+SচাপPbS
৭।শব্দ কম্পন:শব্দ এক প্রকার শক্তি।শব্দ কম্পন অনেক সময় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে থাকে।
উদা:অ্যাসিটিলিন গ্যাসের নিকট মার্কারি ফুলমিনেট বিস্ফোরণ ঘটালে যে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি হয় তার প্রভাবে অ্যাসিটিলিন বিয়োজিত হয়।
C2H2উচ্চশব্দ2C+H2
৮।প্রভাবক:প্রভাবক হলো এমন একটি পদার্থ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিজে অংশগ্রহণ না করে বা বিক্রিয়ার শেষে অপরিবর্তিত থাকে, কিন্তু বিক্রিয়ার গতিকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেয়।
উদাহরণ: অ্যামোনিয়া উৎপাদনে আয়রন (Fe) একটি ধনাত্মক প্রভাবক।
★অধ্যায়-৮(জারণ-বিজারণ)
প্রশ্ন: জারণ বিজারণ যুগপৎ/একসাথে ঘটে ব্যাখ্যা কর৷
উত্তর:জারণ বিজারণ যুগপৎ ঘটে এর ব্যাখ্যা নিম্নরূপ :
আমরা জানি, কোন অণু, পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করলে তাকে জারণ বিক্রিয়া এবং কোন অনু, পরমানু বা আয়ন ইলেকট্রন গ্রহণ করলে তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে। সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) প্রস্তুতির ক্ষেত্রে জারণ বিজারণ যুগপৎ ঘটে তার ব্যাখ্যা করা যায়। সোডিয়াম পরমানু তার নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাস থেকে একটি ইলেকট্রন বেশি থাকায় সোডিয়াম পরমানু সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর হতে একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়ন (Na+) গঠন করে এবং জারিত হয়। অপরদিকে ক্লোরিন পরমাণুতে নিকটতম নিষ্ক্রিয় গ্যাস থেকে একটি ইলেকট্রন কম থাকায় ক্লোরিন পরমাণু তার বাইরের শক্তিস্তরে একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে ক্লোরাইড আয়ন (Cl-) গঠন করে এবং বিজারিত হয়। সোডিয়াম পরমাণু যে ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়েছে ক্লোরিন পরমাণু ঐ ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়েছে। কাজেই বলা যায় জারণ বিজারণ যুগপৎ ঘটনা।
2Na−2e−→2Na+ ( জারন বিক্রিয়া)
2Cl+2e−→2Cl− (বিজারন বিক্রিয়া)
_______________________________________________
2Na+Cl2→2Na++Cl−→2NaCl
জারণ বিজারণের যুগপৎ প্রক্রিয়াটি নিম্ন রূপ:
চিত্র
★অধ্যায়-৯(পানি)
১।পানির খরতা দূরীকরণের পারমুটিট প্রনালী বর্ণনা কর?
I
2Na-পারমুটিট + Ca- লবণ = Ca-পারমুটিট↓+ Na- লবণ
বা 2NaAlSiO4.3H2O + CaCl₂ = Ca(AlSiO4.3H2O)2 + 2NaCl
★বর্ণনাঃ
★পারমুটিট পুনঃসক্রিয়করণঃ
Ca−পারমুটিট+2NaCl=2ণা−পারমুটিট+CaCl2
★অধ্যায়-১০(তড়িৎ রসায়ন)
১।ইলেকট্রোপ্লেটিং পদ্ধতি বর্ণনা কর?
২।ফ্যারাডের তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্রগুলো বর্ণনা ও গানিতিক ব্যাখ্যা কর?
ফ্যারাডের (প্রথম সূত্র):তড়িৎ বিশ্লেষণের সময়, তড়িৎদ্বারে সঞ্চিত বা জমা হওয়া পদার্থের পরিমাণ সরাসরি প্রবাহিত চার্জের পরিমাণের সমানুপাতিক।
w সঞ্চিত ভর এবং Q হলো প্রবাহিত চার্জ হয়, তাহলে W∝Q
⇒W=ZQ[Z=তড়িৎ রাসায়নিক তুললাঙ্ক]
W=Zit[Q=it]
ফ্যারাডের ২য় সূত্র (Faraday’s 2nd Law): যদি বিভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ একই সময় ধরে চালনা করা হয় তাহলে বিভিন্ন তড়িৎদ্বারে সঞ্চিত পদার্থের পরিমাণ তাদের নিজ নিজ পারমাণবিক ভরকে যোজনী বা চার্জ সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যায়, তার সমানুপাতিক হবে । অর্থাৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্কের সমানুপাতিক হবে।
যদি Q পরিমাণ বিদ্যুৎ বা চার্জ প্রবাহের ফলে কোন তড়িৎদ্বারে W গ্রাম ভরের কোন পদার্থ দ্রবীভূত বা সঞ্চিত হয় তাহলে ফ্যারাডের ২য় সূত্র মতে,
W∝vM[M=পারমাণবিক ভর v=যোজনী]
W=KvM
K=vMW
যদি তিনটি তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ একই সময় ধরে চালনা করার ফলে এদের মধ্যে যথাক্রমে W1,W2,W3পরিমাণ পদার্থ সঞ্চিত হয়। তাহলে ফ্যারাডের ২য় সূত্র মতে,
v1M1W1=v2M2W2=v3M3W3=K
★অধ্যায়-১১(জৈব রসায়নের প্রাথমিক ধারণা)
১।জৈব-যৌগের শ্রেনিবিভাগ দেখাও?
চিত্র:জৈব যৌগের
২।জৈব ও অজৈব যৌগের মাঝে পার্থক্য দেখাও?
.
৩।কার্যকরী মূলকের উপর ভিত্তি করে জৈবযৌগের শ্রেণি বিভাগ আলোচনা কর?
।
৪।অ্যালকোহল এর শ্রেনিবিভাগ দেখাও?
১. হাইড্রোক্সিল গ্রুপের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিভাগ
২. কার্বন পরমাণুর প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিভাগ
এই শ্রেণিবিন্যাস নির্ভর করে -OH গ্রুপের সাথে যুক্ত কার্বন পরমাণু অন্য কয়টি কার্বন পরমাণুর সাথে যুক্ত তার উপর।